দীপান্বিত সেই মুখ

দীপান্বিত সেই মুখ

প্রিয় প্রজন্মের অস্তিত্বে সমহিতা ,জৈব সত্তায় বিমহিতা,

অবগন্থিতা , নবনিতা , গায়ের বধু

আমার মায়ের সলাজ মুখচ্ছবির অম্লান আলোয় ভাসর,

আর সেই হিরনময় প্রহর না জানি কোন অপারথিব

সরগিও শুখে বিভর ছিলো অথবা

আমার সুতীব্র কান্নায় আনন্দে উচ্চকিত ছিল,

যে সব প্রিয় মুখ, এক বুক প্রত্যাশায় তাদেরে পড়ে মনে,

আমার কাছে ঢের ভালো

ফের যদি মা কোলে তুলে নিত

তার বুকের মানিক একটু খানিক

ধুলা যহেরে অক্রত্তিম !

অথবা দু পা মাটিতে বিছায়ে

ঘুমে ঢুলু ঢুলু এই সন্তানেরে

মুখে তুলে দিত দুদ ভাত – অতি সোহাগে,

কখোনো বা জদি ভেজাল বকুনি দিয়ে

বুকে চেপে দুদ দিতো মাত্রিতের অমঘ টনে,

আর জদি মুক পানে চেয়ে চেয়ে

রোমাঞ্চহিত হোতো সুগভির পুলোক সিহোরনে,

অপরনিস ছায়া ঢাকা পাখি ডাকা গায়ের

বিস্তৃত নিভৃত মসজিদের নিবেদিতা

সাথে নিয়ে পাঞ্জেগানা দয়াগঞ্জের আরশ

এল মধুমতির পাড়ে আমার জনকের ঘরে –

নববধূ hoye পরিপূর্ণ কৃষক গৃহিণী সাদামাটা সংসারে,

উঠান ভরা ফসলের ঘ্রাণে উদ্দীপ্ত মায়ের সত্তৃপ্ত হাঁসি

অথবা জলবতী মেঘের সদর আনাগোনায়

সারস মেঘের ছড়ানো ফসল বোঝার উপকরনা,

ঘামারতো দেহে অসাধারণ ব্যস্ত পায় ফসল ঘরে তোলা

ফাকে ফাকে নিজে না খেয়ে অপরকে খাওয়ানোর সুখ

আর সেই অনাবিল প্রসন্ন মুখ মাতা,

এই শহরে একাকী ঘরে এসব অম্লান —-

বসে থাকা রাস্তার পানে, আমার প্রতীক্ষায় চেয়ে থাকা

বাসায় ফিরে না আসা অব্দি দরজা খোলা রাখা

আল্লাহ শাফি আল্লাহ মাফি বলে মুখ সামলে

গায়ে পিঠে হাত বুলিয়ে কখনো দুহাত তুলে মোনাজাত নিমিত মা,

আমার দৃষ্টিতে স্থির চিত্র সুকুমারী

‘একক সুখ – অন্তরের, এই ধূসর ধরিত্রীর বুকে-

দীপান্বিত সেই সুখ আর সেই মুখ পানে চেয়ে আমার অপার্থিব সুখ,